top 10 affiliate marketing

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি? কিভাবে কাজ করে আয় করা যায়?

Facebook Boost Service

কিভাবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ কাজ শুরু করবেন?

আপনি যদি সরাসরি মার্কেটিং করতে চান, যেটা সর্টকাট অথবা যদি এমন ভাবেন আগে একটু চেষ্টা করে দেখি যদি কিছু নগদ “নারায়ণ” আসে তাহলে ভালো ভাবে শুরু করবো, তাহলে কিভাবে শুরু করবেন বলার খুব একটা কিছু নাই। একটি প্রোডাক্ট সিলেক্ট করেন, আর এর পর ট্রাফিক Send করেন সেই প্রোডাক্ট পেইজ এ। আর যদি সত্যিকার মার্কেটার এর মত কাজ করতে চান, ক্যারিয়ার করতে চান, তাহলে অবশ্যই সেলস প্যানেল এ কাজ করেন। কিভাবে ও কোথা থেকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এ কাজ শুরু করবেন – এর জন্য আমি নিচে স্টেপ বাই স্টেপ নোট করে দিচ্ছি –

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কাকে বলে?

চুক্তিভিত্তিকভাবে বিভিন্ন ই-কমার্স ওয়েবসাইট বা কোনো কোম্পানি কিংবা প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবা বিক্রির মাধ্যমে একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন পাবেন। আর এই পদ্ধতিতে আয় করাকেই সাধারণত অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলা হয়।

১) মার্চেন্ট
যে প্রোডাক্ট বা কোম্পানি তৈরি করে তাকে মার্চেন্ট বলে। সেক্ষেত্রে প্রোডাক্টটি কোনও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস, ই-বই, ডিজিটাল প্রোডাক্টও হতে পারে।

২) পাবলিশার/অ্যাফিলিয়েট
এরাই মার্চেন্টদের থেকে নির্দিষ্ট অর্থের বিনিময়ে বা কমিশনের বিনিময়ে ওই কোম্পানি বা তার প্রোডাক্টের প্রচার করে। প্রচারের জন্য বিভিন্ন ডিজিট্যাল মার্কেটিং ক্যাম্পেন ব্যবহার করা হয়। Affiliate Marketing

৩) নেটওয়ার্ক
এই প্ল্যাটফর্মে অ্যাফিলিয়েট ও মার্চেন্ট দু’পক্ষই থাকে। মার্চেন্টরা অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রামে তাদের প্রোডাক্টের তালিকা দিয়ে দেয়। অ্যাফিলিয়েটরা নির্দিষ্ট পদ্ধতিতে তার প্রচার করে। এর মাধ্যমেই দু’পক্ষের মধ্যে কমিশন নির্ধারিত হয়।

অনলাইনে হাজারো অ্যাফিলিয়েট প্রোগ্রাম আছে – অ্যামাজন কেন?
অ্যামাজনের মতো এতো বেশি কালেকশনের প্রডাক্ট অনলাইনে আর কারও নেই। অর্থাৎ ওদের প্রডাক্টের সংখ্যাও বেশি, তাই প্রোমোট করার সুযোগও বেশি।

অ্যামাজন এর লোগোটা কখনো খেয়াল করেছেন কি? দেখুন, A থেকে Z পর্যন্ত একটি তীর দেখা যাচ্ছে। এর মানে এ থেকে Z পর্যন্ত সব আছে তাদের কাছে।

কোটি কোটি প্রডাক্টের মধ্যে আপনার যা খুশি তা আপনি প্রমোট করে সেল করতে পারবেন। কিছু আইটেম থাকে অ্যাসোসিয়েটস আওতার বাইরে, সেগুলো ছাড়া। চিন্তার কিছু নেই, এমন আইটেম অল্প কয়েকটি মাত্র।

অ্যামাজন অনলাইনে অন্যতম বিশ্বস্ত ব্র্যান্ড। এখানে কোন কিছু কেনার আগে মানুষ ঠকে যাওয়ার কথা ভাববেনা। তারা জনগণের টাকা নিয়ে কোথাও বেইমানি করে না। তাই কোন প্রডাক্ট পছন্দ হলে, বাজেট মিললে জনগণ ক্রায় করে নিবে, ভাববে না।

অ্যামাজন এর সবচেয়ে বড় মজা হচ্ছে, আপনি যে প্রডাক্ট প্রমোট করছেন, শুধু সেটি বিক্রি হলেই আপনি কমিশন পাবেন এমন না। আপনি যদি মিস্টার Xকে অ্যামাজনে পাঠান কলা কিনতে, সে কলা না কিনে যদি লেবু কিনে তাতেও অ্যামাজন আপনাকে কমিশন দিবে। সে যদি ২৪ ঘন্টার মধ্যে সারা মাসের বাজার করে তাতেও আপনাকে কমিশন দিবে।

অর্থাৎ আপনি কাউকে অ্যামাজনে পাঠালে, সে ২৪ ঘন্টার মধ্যে যাই ক্রয় করুক না কেন, আপনি কমিশন পাবেন।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য কোন কোন বিষয়ে ধারনা থাকতে হয়?

কীওয়ার্ড রিসার্চ এবং নিশ্ নির্বাচন
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (এসইও)
সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং (বিশেষ করে, ফেইসবুক মার্কেটিং)
গুগল এ্যাডওয়ার্ডস্
ই-মেইল কালেকশন (লিস্ট বিল্ডিং) এবং ইমেইল মার্কেটিং
লিংক বিল্ডিং প্রসেস
ট্র্যাফিক জেনারেশন এর নানাবিধ উপায়
কন্টেন্ট অপটিমাজেশন
প্রোডাক্ট রিসার্স
ওয়েব সাইট তৈরির যাবতীয় প্রসেস
কন্টেন্ট ডেভেলপমেন্ট
ল্যান্ডিং পেজ বানানো
কনভার্সন রেট অপটিমাইজেশন (লিংক বিল্ডিং)
পেইড মার্কেটিং (অ্যাডওয়ার্ড, মিডিয়া বাই প্রভৃতি)

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর সুবিধাঃ

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং একটি স্মার্ট এবং আধুনিক পেশা। এই পেশার কিছু স্বাতন্ত্রতা রয়েছে যা এটিকে অনলাইনের অন্যান্য কাজ থেকে পৃথক করেছেঃ

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য কোনো বিড করার প্রয়োজন পড়ে না।
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ে স্বাধীন ভাবে কাজ করার সুযোগ থাকে।
একটি ওয়েবসাইট দিয়ে আনলিমিটেড ইনকাম জেনারেট করা সম্ভব হয়।
একটি অ্যাফিলিয়েট সাইট দিয়ে একাধিক পদ্ধতিতে ইনকাম করা সম্ভব হয়।
আনলিমিটেড ইনকাম করা সম্ভব।
ঘুমিয়ে থাকলেও ইনকাম করা সম্ভব।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর অসুবিধাঃ

অনেক সুবিধার পাশাপাশি এই পেশার কিছু অসুবিধাও রয়েছে। যেমন, ফ্রিল্যান্সিংয়ে শুরুর দিকেই সবাই বিনিয়োগ করতে আগ্রহী হয় না।

আপনার জীবনে গার্লফ্রেন্ড কিংবা বয়ফ্রেন্ড-এর জন্য অনেক রিস্ক নিলেও এই ইন্ডাস্ট্রির রিস্কটা অনেকে নিতে চায় না।

ইনকামের জন্য একটা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করা বিরক্তিকর মনে হয়।